শিরোনাম
ঢাকা কলেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুখ ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন সামিট- ২০২৬’ মহেশপুরে আওয়ামী লীগ নেতাকে জিম্মি করে টাকা আদায়: আটক ৩। গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত তালায় “প্রাণী বন্ধু উন্নয়ন ফাউন্ডেশন”-এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  পুলিশের ১৬ জন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্বশীল আচরণ, সততা ও নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব : জামায়াতের আমীর আজ  বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আগামী ১৬ মে চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুততম সময়ে ঢাকার সঙ্গে সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে : ডোনাল্ড ট্রাম্প 
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন

যুদ্ধ বিরতি নিয়ে ট্রাম্পের দাবিকে নাকচ করে দেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

রিপোটারের নাম / ৭২৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

 

এইচটি আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন তিনি ভারত শাসিত কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানকে ‘বাণিজ্য চাপের’ মাধ্যমে যুদ্ধ থেকে সরে আসতে রাজি করিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ২৬ জুন হেগ-এ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, আমি একাধিক ফোনকলের মাধ্যমে বিষয়টি শেষ করেছি। আমি বলেছিলাম, তোমরা যদি লড়াই করতেই চাও, তবে বাণিজ্য হবে না। তখন ওরা বলল, না, আমরা বাণিজ্য করতে চাই।

নিউ ইয়র্কে ‘নিউজউইক’-এর সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই দাবিকে নাকচ করে দেন।

এস জয়শঙ্কর বলেন, গত ৯ মে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ফোন করেন, সেসময় আসি ওই রুমেই, মোদীর পাশেই ছিলাম। কথোপকথনে যুদ্ধবিরতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কোনো কথা-ই ওঠেনি।

তিনি বলেন, জেডি ভ্যান্স জানান, পাকিস্তান বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদী ওই হুমকিতে টলেননি। বরং তিনি জানিয়ে দেন, ভারতের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া মিলবে।

জয়শঙ্কর দাবি করেন, ১০ মে তার সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও’র আলোচনা হয়। রুবিও জানান, পাকিস্তান আলোচনার জন্য প্রস্তুত। ওই দিন বিকেলেই পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের নির্দেশে ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ ভারতীয় ডিজিএমও লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘোষকে ফোন করে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানান।

 

এর প্রতিক্রিয়ায় জয়শঙ্কর বলেন, কূটনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই। দুই ক্ষেত্র স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। তার বক্তব্য, ব্যবসায়ীরা তাদের কাজ করে চলেছেন; সংখ্যা, পণ্য নিয়ে আলোচনা করছেন। আমি মনে করি, ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত পেশাদার, অবিচল।

 

তিনি বলেন, আমি যা বলছি, তা আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলছি। পহেলগামের হামলা কেবল একটি সন্ত্রাসী তৎপরতা ছিল না, বরং অর্থনৈতিক যুদ্ধ ছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল কাশ্মীরের পর্যটনশিল্প ধ্বংস করে দেওয়া, ধর্মীয় উসকানি দেওয়া ও সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো।

 

সূত্র: এনডিটিভি


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ