শিরোনাম
পাটগ্রামে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ৬ রাশিয়ান দূতাবাসে আলোকবর্তিকা মানব উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গবেষণায় পিএইচডি অর্জন টি. এন. সোনিয়া আজাদের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পোরশায় মাদক সিন্ডিকেটের ০২ জন গ্রেফতার । সীমান্তে বিজিবির কঠোর অভিযান: ডিমলা, পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধায় ইয়াবা-অটোভ্যানসহ ৩ চোরাকারবারী আটক পাটগ্রাম সীমান্তে বিজিবি’র ধাওয়া খেয়ে পাট ও সাইকেল ফেলে পালালো চোরাকারবারিরা কালিহাতীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ সাপাহারে অ’বৈধ কারেন্ট ও রিং জাল পু’ড়িয়ে ধ্বং’স সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধানের মাতার ইন্তেকালে পাটগ্রাম প্রেসক্লাবের শোক
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধান উপদেষ্টা

রিপোটারের নাম / ৪২২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

 

এইচটি  বাংলা  ডেস্ক  : মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি, পরে প্রধান উপদেষ্টা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এসময় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

৫৩ বছর আগে দেশের স্বাধীনতার লালিত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে দখলদার বাহিনী স্থানীয় কুচক্রীদের সহায়তায় উদীয়মান বাংলাদেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার উদ্দেশ্যে একযোগে দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল।

 

১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অধ্যাপক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিল্পী, প্রকৌশলী ও লেখকসহ এ দেশের দুই শতাধিক কৃতী সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

 

সেই থেকে দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

 

এর আগে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও পথ অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।

 

১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্ন এলে মুক্তির নিঃশ্বাস ফেলে আপামর জনতা। মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে গেলে পাওয়া যায় বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ। হাত-পা বাঁধা সেসব মরদেহ জুড়ে আঘাত আর ক্ষতচিহ্ন। গুলি, ধারালো অস্ত্রের দাগ। অনেক মরদেহ স্বজনরা শনাক্ত করতে পারেননি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;