শিরোনাম
পূর্ণভবা নদীতে নৌকাডুবি: শিশুসহ ১০৯ যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা, সুতি জালের উপকরণের সঙ্গে ধাক্কা।  তালায় মানবতা ফাউন্ডেশনের ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি গঠন রংপুর ব্যাটালিয়ন- ৫১ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ষাঁড় ও ডিমলায় মাদকসহ আটক ১ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর-শ্বাসরোধের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার দক্ষিণ কোরিয়া খাদ্যবর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু। নওগাঁর পোরশায় ১০ কেজি গাজা সহ তিন জন বড় মাদক কারবারী গ্রেফতার।  পোরশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের উদ্যোগে ডেঙ্গু কিট হস্তান্তর। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ১০ লাখ টাকার ভারতীয় ডিসপ্লে আটক করল বিজিবি চট্টগ্রাম বন্দর যানজট নিরসনে সিসিটি ২ নম্বর গেট ১০০ ফুট ভিতরে সরানোর দাবিতে মোহাম্মদ শাহজাহানের প্রতীকী অবস্থান
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন

অবশেষে প্রেমের জয় হলো প্রতিবন্ধীদের

রিপোটারের নাম / ৯২৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

 

মো: গোলাম কিবরিয়া , রাজশাহীর জেলা প্রতিনিধি : অবশেষে প্রেমের জয় হলো প্রতিবন্ধীদের। দুই বছরের প্রেম সাধনার পর অবশেষে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন রাজশাহীর মেয়ে মোসাঃ চামেলী খাতুন ও চট্টগ্রামের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান নামের দুই শারীরিক প্রতিবন্ধী।

রাজশাহী নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকায় জাকযমক আয়োজনে দুই শারীরিক প্রতিবন্ধীর বিবাহের কাজ সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে নিজ খরচে বিয়ের আয়োজন করেন, ঐ এলাকার অটোরিক্সা গ্যারেজ মালিক মোঃ শফিকুল ইসলাম।

সন্ধ্যায় তাদের গাঁয়ে হলুদের আয়োজন করা হয়। কালমা রেজিস্ট্রি করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা। বিয়েতে ৮০ (আশি) হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়। যার মধ্যে ০২ (দুই) হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন মোঃ আব্দুর রহমান।

মোসাঃ চামেলী খাতুন রাজশাহীর পবা থানাধীন মাধইপাড়া এলাকার মোঃ কমিম উদ্দিনের মেয়ে। মোঃ আব্দুর রহমান চট্টগ্রামের ছেলে। তিনি নিজেকে এতিম দাবি করেন। তবে তার পিতা-মাতার নাম বা বংশ পরিচয় এখনও জানানি তিনি।

জানা যায়, গত দুই বছর যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় চামেলী ও আব্দুর রহমানের। এরপর শুরু হয় প্রেম ভালোবাসা।

পরবর্তীতে গত ২ মাস পূর্বে মোঃ আব্দুর রহমান চট্টগ্রাম থেকে প্রেমিকার খোঁজে খালি হাতে চলে আসে রাজশাহীতে। তারপর নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকায় চামেলীর বাসার পাশে এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করতে থাকে মোঃ আব্দুর রহমান। সে সময় পরিচয় হয় ঐ এলাকার অটোরিক্স গ্যারেজ মালিক মোঃ শফিকুল ইসলামের সাথে।

তারপর মোঃ শফিকুল ইসলামের কাছে তার প্রেম ভালোবাসার কথা খুলে বলেন মোঃ আব্দুর রহমান। মোঃ আব্দুর রহমানের কথা শুনে অবশেষে নিজ গ্যারেজেই কাজ দেন মোঃ শফিকুল ইসলাম।

গ্যারেজে থাকা অবস্থায় মোসাঃ চামেলী খাতুন ও মোঃ আব্দুর রহমানের প্রেমের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। এক পর্যায়ে তাদের প্রেম ভালোবাসার কথা এলাকায় জানাজানি হলে আজ দুই জনকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করে দেন এলাকাবাসী।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;