শিরোনাম
দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া আয়রার জন্য নিজ গ্রামে দোয়া মাহফিল উন্নয়ন ও বাণিজ্য প্রসারে এমপি মিলনের সাথে লাইমস্টোন ব্যবসায়ীদের সাক্ষাৎ সিএসসিআর এর উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাষা শহীদের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী।
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

অস্থায়ী ভিসাধারীদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধে যে আদেশ জারি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেটি কার্যকর হওয়ার পথে

রিপোটারের নাম / ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ আটকে দেওয়ার ক্ষেত্রে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ক্ষমতা সীমিত করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে অবৈধ অভিবাসী ও অস্থায়ী ভিসাধারীদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধে যে আদেশ জারি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেটি কার্যকর হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একে ‌‘বিশাল জয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন এমন ব্যক্তি এবং অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধে নির্বাহী আদেশ কার্যকরের যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প, সে বিষয়ে এ মামলাটি হয়েছিল।

 

সুপ্রিম কোর্টের রুলিংয়ের ক্ষেত্রে রক্ষণশীল বলে পরিচিত বিচারকরা ট্রাম্পের পক্ষ নিয়েছেন। তবে তারা বলেছেন, তারা জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের উদ্যোগের বিষয়টিতে দৃষ্টি দেননি বরং তারা মোটা দাগে প্রেসিডেন্টের কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করেছেন।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আদেশের ফলে ভবিষ্যতে নির্বাহী আদেশে নেওয়া পদক্ষেপগুলো চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে এবং তাদের মতে এই আদেশেরও আইনি চ্যালেঞ্জ হবে।

 

অভিবাসনবিষয়ক অধিকার গোষ্ঠী এবং ২২টি রাজ্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনে ট্রাম্প যেসব নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করেছেন তার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল।

 

ম্যারিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস, ওয়াশিংটনসহ বিভিন্ন জায়গায় মামলা হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ আটকে দেওয়া এবং প্রাথমিক পর্যায়ে তাই হয়েছিল।

 

কিন্তু দেশটির জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট-এর সঙ্গে একমত হয়নি। তারা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে এবং তাতে তারা প্রাথমিক আদেশ সাংবিধানিক হয়নি বলে যুক্তি তুলে ধরে।

 

শুক্রবার আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে একমত পোষণ করে নতুন আদেশ দিয়েছেন। এদিনই এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প আদালতের আদেশের প্রশংসা করেছেন।

 

তিনি বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত সংবিধানের জন্য, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও আইনের শাসনের জন্য অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করেছিল এবং দেশজুড়ে তার আদেশের বিষয়ে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, সেটি ছিল গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ