শিরোনাম
সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে এসজেএফ নেতাদের বৈঠক। সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রহমান আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘উইনটার কার্নিভাল অ্যান্ড পৌষ পার্বণ’ । বাক প্রতিবন্ধী ও হিজড়া জনগোষ্ঠীসহ শীতার্তদের হাতে কম্বল তুলে দিলেন ইউএনও ডিপ্লোমেসি চাকমার মুসাব্বির কে হত্যা করায় জামালপুর জেলা সেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল  চন্দনাইশ কার-মাইক্রো ও হাইচ শ্রমিক সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন- সভাপতি মো. তৌহিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ রাজশাহীতে বিজিবি ১ এর শীত বস্ত্র বিতরণ ৫৪ তম জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপজেলা চ্যাম্পিয়ন ইসলামী আদর্শ বিদ্যানিকেতন এনএসডিএ নির্বাহী চেয়ারম্যানের সঙ্গে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সাতছড়ি চা বাগানে অসহায় চা শ্রমিকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে উত্তেজনা আবারও চরমে উঠেছে।

রিপোটারের নাম / ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী রাষ্ট্র থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা আবারও চরমে উঠেছে। রোববার দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় নতুন করে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে, এতে থাইল্যান্ডের দুই সেনা আহত হন।

 

থাই সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে সীমান্তসংলগ্ন সি সা কেত অঞ্চলে কম্বোডীয় বাহিনী লক্ষ্যহীনভাবে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে এক থাই সেনার পায়ে গুলি লাগে এবং আরেকজন বুকে আঘাত পান। পরে থাই সেনারা পাল্টা গুলি চালালে প্রায় ৩৫ মিনিট ধরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকে।

 

সংঘাতের পর সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে বুরি রাম, সুরিন, সি সা কেত ও উবন রাতচাথানি এই চারটি প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে হাজারো স্থানীয় বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় থাই সেনাবাহিনী।

 

এর আগে একইদিন সকালে জাতিসংঘে কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে থাইল্যান্ড। ব্যাংককের দাবি কম্বোডীয় বাহিনী থাই এলাকায় গোপনে ল্যান্ডমাইন পুঁতে রেখেছে, যার বিস্ফোরণে থাই ও চীনের কয়েকজন নাগরিক আগে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জাতিসংঘের তদন্তও চায় থাইল্যান্ড।

 

জাতিসংঘে অভিযোগ তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সি সা কেত সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

 

সীমান্ত নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। চলতি বছরের জুলাইতেই সীমান্ত সংঘাতে দুই দেশের মোট ৩২ জন নিহত এবং অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছিল। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ