শিরোনাম
পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের প্রধান সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ব্যাটিং ধসের দিনে মিরাজের অপরাজিত সেঞ্চুরি মাগুরার বাড়িতে হামলার প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সাকিব। দেশীয় পাঁচ প্রজাতির ছোট মাছে উদ্বেগজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত । সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী দেশের বাজারে ভরিতে ১০ হাজার টাকা সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে এইচটি বাংলা অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভির সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। পাটগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ১১দলীয় গণ মিছিল ও গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত পোরশায় গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা।  ১১ দলীয় ঐক্য পোরশা উপজেলা শাখার আয়োজনে ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন উপলক্ষে নিতপুর কপালের মোড়ে মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত। 
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফনকৃত ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

রিপোটারের নাম / ৮৭৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

 

এইচটি  বাংলা  ডেস্ক  : রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফনকৃত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত অজ্ঞাতপরিচয় ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান ও পরিচয় নিশ্চিত করতে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আদেশে বিচারক ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬(২) ধারা অনুসারে ঢাকার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) মরদেহ উত্তোলন কার্যক্রমে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহিদুল ইসলাম মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ১১৪ জনকে অজ্ঞাতনামা ‘শহীদ’ হিসেবে মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং পরিচয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসব মরদেহ উত্তোলন প্রয়োজন। প্রতিটি মরদেহের পোস্টমর্টেম, ডিএনএ সংগ্রহ ও প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি, যথাযথ আইনগত কার্যক্রম শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে।

বিচারক সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে আবেদনটি মঞ্জুর করেন এবং নির্দেশনামূলক আদেশ প্রদান করেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ