শিরোনাম
পাটগ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি: চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধারকারী থানা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে পোরশা থানা।  গিলানী চা বাগানে অশ্রুসিক্ত নয়নে সহকারী ব্যবস্থাপককে বিদায় সংবর্ধনা একজন রূপকার—প্রোফেসর যোগেশ সিং লায়ন্স ও লিও ক্লাব অনির্বাণের চার্টার প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত তালায় মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে পেটাল মাদক কারবারিরা, জিডি চন্দনাইশে খুনিয়া পাড়া ইয়াং সোসাইটির অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন  পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে ০১ জন পেশাদার খুচরা মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার-২৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ।  ইন্দোরে শুরু হলো ১৮তম ভারতীয় সাংবাদিকতা উৎসব ২০২৬: মূল ভাবনা ‘জেন-জি’, সম্মানিত সংবাদমাধ্যমের কিংবদন্তিরা। পোরশায় আদিবাসী সমাবেশ ও ত্রি-বার্ষিক সমাবেশ ২০২৬ অনুষ্ঠিত।    
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন

চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত ৭ ।

রিপোটারের নাম / ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে থেমে থাকা একটি জাহাজে দুর্বৃত্তদের হামলায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জনকে পাওয়া গেছে। আহত ৩ জনের মধ্যে হাসপাতালে নেওয়ার পর দুজন মারা গেছেন। ফলে ওই জাহাজে থাকা মোট ৭ জনের মৃত্যু হলো।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আনিসুর রহমান আরও দুজনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।

 

এ দিকে চাঁদপুর নৌ-পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, এমভি আল-বাখেরা নামের জাহাজটিতে দুর্বৃত্তদের হামলার এ ঘটনা ঘটে। জাহাজটি নোঙর করা অবস্থায় ছিল। হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য এবং হতাহতদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

 

জাহাজ থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে বিকেল ৪টার দিকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর জনের নাম জুয়েল (২৮)। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

 

এ বিষয়ে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আনিসুল ইসলাম বলেন, আহত অবস্থায় তিনজনকে আনা হয়। দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।

 

নৌপুলিশের চাঁদপুরের অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, পণ্যবাহী নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সন্দেহ করছি, শত্রুতা থেকে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আমরা বিকেল তিনটার দিকে নৌযানটির কাছে যাই। সেখানে গিয়ে নৌযানের পাঁচটি কক্ষে পাঁচটি মরদেহ পাই। বাকি তিনজনকে গুরুতর জখম অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;