শিরোনাম
ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হলো এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া। চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ ফয়সাল সিকদার সোহানকে চান তৃণমূল কর্মীরা
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

ড. মুহাম্মদ ইউনুসের আমন্ত্রণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘ মহাসচিবের ইফতার ।

রিপোটারের নাম / ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : আজ কক্সবাজারে অবস্থিত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক (এফডিএমএন) শিবিরে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর আমন্ত্রণে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস প্রায় লক্ষাধিক এফডিএমএন এর সাথে ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। এ বিশেষ আয়োজনে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস’কে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান। অতঃপর, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধান একসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব’কে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এ আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন, শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরসি), জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, দেশি ও আন্তর্জাতিক এনজিও এবং এফডিএমএন স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে এক যৌথ উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সেনাবাহিনীর প্রায় সহস্রাধিক সদস্য কর্তৃক অনুষ্ঠানস্থলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও, সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রধান অতিথি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের আসন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক অতিথির জন্য আসন ব্যবস্থা প্রস্তুত এবং ইফতারের আয়োজন করা হয়।

 

জাতিসংঘ মহাসচিবের এই ঐতিহাসিক সফর এফডিএমএন জনগোষ্ঠীর নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও তাদের ভবিষ্যৎ পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ