নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ চন্দনাইশ’র উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, খতমে গাউসিয়া শরীফের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ জুন (শনিবার) বিকাল ৩ টা হতে গাছবাড়ীয়া খাঁনহাট ওয়ান আজিজ শপিং সেন্টার সংলগ্ন ময়দানে এ আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের আহবায়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাও. সোলাইমান ফারুকীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডায়মন্ড সিমেন্ট কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক এম এ রহিম, উদ্বোধক ছিলেন শহর কুতুব শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজ’র স্বত্বাধিকারী মো. জাকির হোসেনের প্রতিনিধি মুহাম্মদ তানিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চন্দনাইশ উপজেলা শাখার সভাপতি মাও. মুহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ খতিবী, সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ, তরুণ উদীয়মান বক্তা মাও. সোহাইল উদ্দিন আনসারী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীরুল ইসলাম বঈদী, মাও. আবদুল খালেক, মাও. নাছির উদ্দীন, খাঁনহাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু ছৈয়দ চৌধুরী, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সংগঠনের সদস্য সচিব মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সংগঠনের সাংগঠনিক সচিব মো. আরফাত হোসেন, সংগঠনের যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সচিব মো. রাজিব হোসেন রিফাত, অর্থ সচিব আহমদুল্লাহ ছোটন, সহ- অর্থ সচিব যথাক্রমে, মো. লোকমান হাকিম, মো. হোসাইন, মোহাম্মদ কাদের খান, প্রচার সচিব মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মাও. রেজাউল করিম, মাও. আলী আক্কাস, এম. এ মতিন, মো. মামুনুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নাতে মোস্তফা পরিবেশন করেন শায়ের যথাক্রমে, থ্রী ষ্টার ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম বাংলাদেশ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাশেদ চাঁটগামী, মাও. আবু ইউসুফ নুর, মাও. মো. খোরশেদ রেজা কাদেরী, মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বাঁধন কাদেরী, হাফেজ মাওলানা রিফাত হোসেন কাদেরী, মোরশেদুল ইসলাম হানাফী, মো. মুসলেহ উদ্দিন শাকিল, ইনজেমামল হক আকাশ ফারুকী, মো. আরমান হোসাইন কাদেরী, মাহফুজ, আশরাফুল হাসান কাদেরী। দফ পরিবেশন করেন কাজী আবদুল্লাহ আল আহানাফ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন অপসংস্কৃতির বিপরীতে সুস্থ ও আদর্শ সংস্কৃতির চর্চার বিকল্প নেই। বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ, বাংলা নববর্ষ ব্যাপক ভাবে উদযাপিত হলেও বিশ্বের ২য় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হওয়ার পরও এদেশে হিজরি নববর্ষ উদযাপনের ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখা যায়না। অথচ মুসলমানরা হিজরি সনকে ঘিরে তাদের ধর্মীয় ইবাদত বন্দেগি করে থাকে।