শিরোনাম
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ৩নং কৈয়ারবিল ইউনিয়নবাসীর দোয়া চাইলেন দিদারুল ইসলাম এরফান পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয় জনগনের সহায়তায় ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও ৩২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের নতুন সেচ্ছাসেবী সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ও মোটিভেশনাল সেমিনার অনুষ্ঠিত সিলেটে সুজন মিয়া গ্রেপ্তার, বালুমহাল নিয়ে আগেও সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিক জয়নালকে সাইবার সুরাক্ষা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নের মুখে সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরাম বাংলাদেশের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সার্ক এডুকেশন কনক্লেভ অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ভারত যাচ্ছেন এসজেএফ সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ আবদুর রহমান।। দুর্গাপূজায় যানজট নিরসনে ঘাম ঝরাচ্ছেন টিআই-সার্জেন্টসহ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বিজিবি কর্তৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার। 
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে বাড়িতে আসলো চঞ্চল 

রিপোটারের নাম / ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫

 

মো: গোলাম কিবরিয়া ,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি : সব স্বপ্ন শেষ করে করে , দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে বাড়ীতে আসলেন চঞ্চল।

স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০ দিন পর দেশে ফিরলেন শাহ আলম চঞ্চল—তবে জীবিত নয়, লাশ হয়ে। মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় নিহত এই প্রবাসীর স্বপ্ন ছিল ধার-দেনা শোধ করে ঘর বাঁধার। কিন্তু সব স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই বিদায় নিতে হলো তাঁকে।

নিহত শাহ আলম চঞ্চল (২৫) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মহদীপুর গ্রামের জফির উদ্দীন মৃধার ছেলে। গত (৩০ এপ্রিল ২০২৫) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মালয়েশিয়ায় কর্মরত অবস্থায় এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিনের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান।

২০ দিন পর, বুধবার (২১ মে ২০২৫) সকালে নিজ গ্রামে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় প্রবাসী চঞ্চলকে। শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ। মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা। মা-বাবা বাকরুদ্ধ, ছোট বোন সুমি খাতুন বুক চাপড়ে কাঁদছিলেন।

দুই বছর আগে চঞ্চল নতুন স্বপ্ন নিয়ে ধার-দেনা করে শ্রমিকের ভিসায় মালয়েশিয়া যান। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে এক্সকাভেটর মেশিন চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। সবে মাত্র ধার-দেনা পরিশোধ শেষ করে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই এক্সকাভেটর মেশিনই কেড়ে নেয় তাঁর প্রাণ, ভেঙে দেয় পুরো পরিবারের স্বপ্ন।

নিহতের পিতা জফির উদ্দীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “কোরবানির ঈদের পর ছুটিতে এসে বিয়ে করার কথা ছিল ছেলের। মৃত্যুর আগের রাতেও আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ায় যে কোম্পানিতে চঞ্চল কাজ করতেন, তারা মরদেহ ঢাকায় পাঠানোর খরচ বহন করেছে। তবে ঢাকা থেকে বাড়ি আনতে তাদের নিজ খরচে প্রায় ১৭ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

মা সাথী বেগম বলেন, “ছেলেকে বিয়ে দিয়ে ঘরে আনব, বউ রান্না করে আমাদের খাওয়াবে—এটাই ছিল স্বপ্ন। ভাবতেও পারিনি, ছেলে লাশ হয়ে ঘরে ফিরবে।”

সব কিছুই যেন আজ শেষ হয়ে গেল ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;