শিরোনাম
পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের প্রধান সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ব্যাটিং ধসের দিনে মিরাজের অপরাজিত সেঞ্চুরি মাগুরার বাড়িতে হামলার প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সাকিব। দেশীয় পাঁচ প্রজাতির ছোট মাছে উদ্বেগজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত । সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী দেশের বাজারে ভরিতে ১০ হাজার টাকা সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে এইচটি বাংলা অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভির সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। পাটগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ১১দলীয় গণ মিছিল ও গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত পোরশায় গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা।  ১১ দলীয় ঐক্য পোরশা উপজেলা শাখার আয়োজনে ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন উপলক্ষে নিতপুর কপালের মোড়ে মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত। 
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি নিয়ে জনসাধারণকে ধৈর্য ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবহিনী।

রিপোটারের নাম / ১২৮৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

 

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি নিয়ে জনসাধারণকে ধৈর্য ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবহিনী।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই ২০২৫ তারিখে গোপালগঞ্জ জেলায় একটি রাজনৈতিক দলের জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে আহ্বানকৃত জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে এলাকার একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা সংঘবদ্ধভাবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন।

 

এ ছাড়াও, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি যানবাহনে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করে এবং প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

 

এতে বলা হয়, উক্ত রাজনৈতিক সংগঠনের সমাবেশ চলাকালীন মঞ্চে পুনরায় হামলা চালানো হয় এবং একই সাথে জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এমতাবস্থায়, সেনাবাহিনী হামলাকারীদের মাইকে বারংবার ঘোষণা দিয়ে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তারা সেনাবাহিনীর ওপর বিপুল সংখ্যক ককটেল ও ইট পাটকেল ছুড়ে হামলা করে। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। অতঃপর, সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, গোপালগঞ্জ এ আশ্রয় গ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গকে খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সর্বোপরি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্ব ও ধৈর্যের সাথে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং প্রশাসন কর্তৃক জারিকৃত কারফিউ চলমান রয়েছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব এবং প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল সকাল হতে চলমান এই রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলায়, গোপালগঞ্জ জেলার জনসাধারণ অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে নিজেদের নিবৃত্ত রেখে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেছেন। গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ