শিরোনাম
ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হলো এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া। চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ ফয়সাল সিকদার সোহানকে চান তৃণমূল কর্মীরা
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন

ছাতকে পৈতৃক সম্পত্তি দখল: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান করুণাময় দাস

ছাতক প্রতিনিধি / ৫৯২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ছাতক প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের ছাতক পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মন্ডলীভোগ (মেডিকেল রোড) এলাকার বাসিন্দা করুণাময় দাস তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ তুলেছেন। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় জনগণের উদ্দেশ্যে এক বিবৃতিতে বিষয়টি প্রকাশ করেন এবং দখলমুক্তির জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

করুণাময় দাস জানান, ১৯৫২ সালের এস.এ রেকর্ড অনুযায়ী মন্ডলীভোগ মৌজার এস.এ ১৪৩ নং খতিয়ান ও ২০/৫৭৬ দাগের .০৭ শতক ভিটরকম ভূমি তাঁর পিতা কানুলাল দাস ও চাচা কামাখ্যা চরন দাস ভোগদখল করে আসছিলেন।  তাঁরা উক্ত জমি হাজী আবু সাঈদ মিয়ার নিকট ভাড়া দেন।

তিনি বলেন, পিতা-চাচার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি ও তাঁর চাচাতো ভাই কৌশিক চন্দ্র দাস জমির মালিকানা পান এবং বহুবার হাজী আবু সাঈদ মিয়ার কাছ থেকে ভাড়া উত্তোলন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি জমিকে নিজের দাবি করে ভাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জবরদখল করেন।

করুণাময় দাসের অভিযোগ, এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার শালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল তিনি ও তাঁর চাচাতো ভাই পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল সম্পাদন করে কয়েকজন প্রতিনিধিকে মনোনীত করেন। কিন্তু বর্তমানে মৃত হাজী আবু সাঈদ মিয়ার ছেলে মো. আব্দুর রহমান (আফরোজ মিয়া), আলী আশরাফ ও আলী আকবর সম্পত্তি দখল করে আছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিবাদীপক্ষ এখন অপপ্রচার চালাচ্ছেন যে, দলিলটি ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সম্পাদন করা হয়েছে। করুণাময় দাস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ও সুস্থ মস্তিষ্কে দলিলটি সম্পাদন করেছি, কারো কোনো চাপ ছিল না।

তাঁর দাবি, বিবাদীপক্ষ তাঁর সিলেটস্থ বাসায় গিয়ে হুমকি-ধামকি ও মীমাংসার নামে চাপ প্রয়োগ করেছে। এ ধরনের হয়রানির নিন্দা জানিয়ে তিনি প্রশাসনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন এবং পৈতৃক ভূমি দখলমুক্ত করার আহ্বান জানান।

বিবাদীপক্ষের আলী আশরাফ ও আলী আকবর লন্ডনে অবস্থান করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মো. আব্দুর রহমান (আফরোজ মিয়া)-এর ব্যক্তিগত সহকারী  জাবেদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আব্দুর রহমান  (আফরোজ মিয়া) বর্তমানে দেশে থাকলেও অসুস্থ থাকার কারণে মোবাইলে কথা বলতে পারবেন না।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ