শিরোনাম
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গবেষণায় পিএইচডি অর্জন টি. এন. সোনিয়া আজাদের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পোরশায় মাদক সিন্ডিকেটের ০২ জন গ্রেফতার । সীমান্তে বিজিবির কঠোর অভিযান: ডিমলা, পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধায় ইয়াবা-অটোভ্যানসহ ৩ চোরাকারবারী আটক পাটগ্রাম সীমান্তে বিজিবি’র ধাওয়া খেয়ে পাট ও সাইকেল ফেলে পালালো চোরাকারবারিরা কালিহাতীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ সাপাহারে অ’বৈধ কারেন্ট ও রিং জাল পু’ড়িয়ে ধ্বং’স সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধানের মাতার ইন্তেকালে পাটগ্রাম প্রেসক্লাবের শোক বিহারে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক মিডিয়া সামিট-২০২৬ শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’-এর আঘাতে জাপানে বিপর্যয় দুজনের মৃত্যু।
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গবেষণায় পিএইচডি অর্জন টি. এন. সোনিয়া আজাদের

রিপোটারের নাম / ২৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

রেজাউল মোস্তফা, চট্টগ্রাম:  প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সরকারি নীতি এবং এর বাস্তব প্রভাব নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন টি. এন. সোনিয়া আজাদ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তাঁকে এ ডিগ্রি প্রদান করা হয়। তিনি বর্তমানে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

 

তাঁর পিএইচডি গবেষণার শিরোনাম “Social Inclusion of Persons with Disability: An Analysis of Government Policy and its Impact”। গবেষণাটিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, তাঁদের জন্য গৃহীত সরকারি নীতি এবং এসব নীতির বাস্তব প্রভাব বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ইস্যু। এ প্রেক্ষাপটে টি. এন. সোনিয়া আজাদ তাঁর গবেষণায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিদ্যমান সরকারি নীতি ও উদ্যোগ, সেগুলোর বাস্তবায়ন এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও সম্ভাবনার দিক তুলে ধরেছেন।

 

গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ওপর। তাঁদের সীমাবদ্ধতার পরিবর্তে দক্ষতা, মেধা, যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতাকে মূল্যায়ন করে উপযুক্ত কর্মক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, উপযুক্ত কর্মসংস্থান ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দেশের উৎপাদনশীল মানবসম্পদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে পারেন বলে গবেষণায় প্রতিফলিত হয়েছে।

 

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিজ নিজ যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে তাঁদের আর্থিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হয়। এর মাধ্যমে একটি অধিকতর অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমতাভিত্তিক ও টেকসই সমাজ গড়ে তোলাও সম্ভব।

 

টি. এন. সোনিয়া আজাদ তাঁর গবেষণায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে অধিকার, মর্যাদা ও সক্ষমতাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে সরকারি নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সরকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, পরিবার ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও গবেষণায় গুরুত্ব পেয়েছে।

 

তাঁর পিএইচডি গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. কে. এম. মহিউদ্দিন।

 

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, “Social Inclusion of Persons with Disability: An Analysis of Government Policy and its Impact” শীর্ষক এ গবেষণা বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, কর্মসংস্থান, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানভিত্তিক সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের বোঝা হিসেবে নয়, বরং সমঅধিকারসম্পন্ন, দক্ষ ও সম্ভাবনাময় মানবসম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও গবেষণাটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;