শিরোনাম
দেশের যুবসমাজকে রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং ডেঙ্গু দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  লালমনিরহাটের পাটগ্রামে বিসমিল্লাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা চন্দনাইশে রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্সে পীরে বাঙ্গাল সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মা.জি.আ) পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের ফাঁকা গুলি ও নৌকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পোরশা উপজেলায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে,একশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় কমিউনিটির শিশুদের আনন্দ উৎসব। পাটগ্রামে বিজিবির মামলায় ৪ বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৬ আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বড় পরিসরে শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। স্থায়ী সচিব ছাড়াই দুই বছর, ছাতক পৌরসভার সেবা কতটা স্বাভাবিক?
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ  দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি

রিপোটারের নাম / ৫২৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা  ডেস্ক:  প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে অনুসন্ধান কমিটিকে দেওয়া দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, ২০২২ সালের আইনে দায়মুক্তি দেওয়ার এমন বিধান অসাংবিধানিক। তারা মনে করেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ ছিল অবৈধ। সে কারণে তাদের অধীন হওয়া নির্বাচনও অবৈধ।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ‘আইন করে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সেই দায়মুক্তির আইনে বলা হয়েছে, এটা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। আমরা মনে করি, এটা আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে যদি এই দায়মুক্তির আইন অসাংবিধানিক ঘোষিত হয় তাহলে দুটি নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।’

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পেশ করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী। একইসঙ্গে রিটে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, এমন বিধান বাতিল চাওয়া হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;