শিরোনাম
দাঁড়িপাল্লার জোয়ারে নরসিংপুর, চেলা নদীতে ত্রিমাত্রিক সেতুর ঘোষণা-সালাম মাদানীর শুরু হলো রক্তঝরা ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি দহগ্রাম মুন্সিপাড়া একরামিয়া আনছারিয়া নূরানী একাডেমি হেফজ মাদ্রাসায় ছবক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হ্যাঁ ভোটে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের আহ্বান-কামারগাঁওয়ে সালাম মাদানী ইসলামপুর ইউপি নির্বাচনের চারবারের প্রার্থী মোঃ ইব্রাহিম আলী আর নেই রাজশাহী বিভাগীয় স্টাটআপ ২ রা ফেব্রয়ারি ময়মনসিংহে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জামালপুর শহর বিএনপির উদ্যোগে প্রচার মিছিল লালমনিরহাট থেকে অক্সফোর্ডে সুযোগ পেলেন ড. মমিন সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে এসজেএফ নেতাদের বৈঠক। সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রহমান আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

জামায়াত নেতাদের  মাছ লুট করে বিক্রির অভিযোগ বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে

রিপোটারের নাম / ২৩৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

 

যশোর প্রতিনিধি : যশোরের মনিরামপুরে জামায়াত নেতাদের ঘেরের  মাছ লুট করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। পরে তোপের মুখে মাছ বিক্রির টাকা ফেরত দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে মাছ লুটের বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে শনিবার বিকেলে মাছ লুটের এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুলটিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবু নসর, সাবেক থানা আমীর লেয়াকত হোসেনসহ কয়েকজন মিলে ঘেরে মাছ চাষ করেন। এই ঘের থেকে গত শনিবার প্রায় ১৮ থেকে ২০ মণ মাছ বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানোর পথে ছাত্রলীগ নেতা লেখক ভট্টচার্যের মাছ ভেবে লুট করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে বিষয়টি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। ঘটনাটি জানাজানি হলে তোপের মুখে মাছ বিক্রির টাকা ফেরত দেন তারা।

নেহালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান বলেন, শনিবার বিকেলে জামায়াত নেতা লেয়াকত হোসেনের কাছে মাছ ছিনতাইয়ের ঘটনা শুনে আমরা তৎপর হই। পরে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে মাহাবুব ও রাজিব নামে দুই জনকে চিহ্নিত করা গেছে। আমরা তাদের কাছ থেকে মাছ বিক্রির টাকা উদ্ধার করে লেয়াকত হোসেনের হাতে বুঝিয়ে দিয়েছি। রাজিব ও মাহাবুব বিএনপির রাজনীতি করে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুলটিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবু নসর বলেন, ‘এলাকায় আমাদের মাছের ঘের আছে। আমাদের সাবেক থানা আমির লেয়াকত হোসেনসহ কয়েকজনে ঘেরে মাছ চাষ করি। শনিবার দুটো ঘের থেকে ১৮-২০ মণ মাছ ধরে কপালিয়া বাজারে আড়তে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়। রাস্তায় কিছু লোক মাছ ছিনিয়ে নিয়ে বিক্রি করে দেয়। লুট করা মাছ তারা ৯৩ হাজার টাকায় বিক্রির কথা স্বীকার করেছে। চাপ দিয়ে তাদের কাছ থেকে ৮৯ হাজার টাকা উদ্ধার করেছি। এলাকার কিছু লোক এ ঘটনায় জড়িত। সব তথ্য উদ্ধারের পর নিজেরা বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে থানায় অভিযোগ করার কথা ভাবছি।’

মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী বলেন, মাছ লুটের কোনো ঘটনা জানা নেই। এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ