শিরোনাম
যারা জশনে জুলুসের বিরোধিতা করেন, তাদের মানসিক চিকিৎসা করানো উচিত : মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার ভুটানের রাজাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৫০০ টাকা মজুরিসহ ৪ দফা দাবিতে চান্দপুর চা বাগানে মানববন্ধন পোরশায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ১০ কন্যা শিশুকে ৫০০০ হাজার টাকা শিক্ষা বৃত্তি প্রদান। অ্যাডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) কর্তৃক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ফেন্সিডিল আটক।    কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল পাটগ্রাম ছাত্রশিবির ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পোরশাকে মাদকমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চাইলেন ওসি জিয়াউর রহমান। মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে ইউএনও মাহমুদুল হাসান, রোগীদের সেবার মান ও হাসপাতালের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ।
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

অনিল বাবাজির সমাধিস্থলে লাখো ভক্তের ঢল।

রিপোটারের নাম / ৮৫৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

 

 

তজুমদ্দিন উপজেলা প্রতিনিধি: ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামে অনিল বাবাজির সমাধিস্থলে ২৫ বছর ধরে চলে আসছে এই দক্ষিণ অঞ্চলের বৃহৎ তিরোধান উৎসব। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণ এখন লাখো ভক্তের পাদচারণায় মুখরিত।

 

১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় অধিবাসের মধ্যদিয়ে ৫ দিনব্যাপী এ উৎসবের শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকেও হাজার হাজার ভক্ত এসে ভিড় জমাচ্ছেন মন্দির প্রাঙ্গণে। বিগত বছরের ন্যায় এ বছরও ভক্তদের জন্য নান্দনিক দৃষ্টিনন্দন ‘বৃন্দাবন’ ও মনোমুগ্ধকর কুণ্ডলী নির্মাণ করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান প্রতিবছর এই মন্দির চত্বরে আমরা বিভিন্ন জায়গার থেকে ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা আসি, সকাল থেকে রাত অব্দি মেলায় বিভিন্ন পণ্য-খাবার বিক্রি করে থাকি। এই বছরে লোকজন বেশি হওয়াতে লাভ জনক হবো আমরা।

আয়োজক কমিটি বলছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ৬টি কীর্তনীয় দল এ যজ্ঞানুষ্ঠান পরিবেশন করবে। সেখানে সত্য, দাপর, কলি ও ত্রেতা’- এ চার যুগের নিদর্শনস্বরূপ শতাধিক বিগ্রহের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে ভক্তরা প্রার্থনা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক মন্দিরে আগত ভক্তদের সেবায় দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করেছেন। ৬টি বিশাল গেট নির্মাণের পাশাপাশি ব্যাপক আলোকসজ্জায় সাজানো হয়ে মন্দির প্রাঙ্গণসহ পুরো চত্বর এবং প্রশাসন আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে থাকে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ