শিরোনাম
ডিএমপি পুলিশের সাত কর্মকর্তার রদবদল। শেখ হাসিনাকে ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের প্রতি অনুরোধ। পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। চন্দনাইশে মানবতার ফেরিওয়ালা সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন চট্টগ্রাম চান্দগাঁওয়ে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়; বরং এই কৃতিত্ব দেশের জনগণের : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী পোরশার পুরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান কে সংবর্ধনা।  পাটগ্রামে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চন্দনাইশের হাশিমপুর ৪ নং ওয়ার্ডে ৫’শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন মনজুর মোরশেদ
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন

অবশেষে প্রেমের জয় হলো প্রতিবন্ধীদের

রিপোটারের নাম / ৯০৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

 

মো: গোলাম কিবরিয়া , রাজশাহীর জেলা প্রতিনিধি : অবশেষে প্রেমের জয় হলো প্রতিবন্ধীদের। দুই বছরের প্রেম সাধনার পর অবশেষে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন রাজশাহীর মেয়ে মোসাঃ চামেলী খাতুন ও চট্টগ্রামের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান নামের দুই শারীরিক প্রতিবন্ধী।

রাজশাহী নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকায় জাকযমক আয়োজনে দুই শারীরিক প্রতিবন্ধীর বিবাহের কাজ সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে নিজ খরচে বিয়ের আয়োজন করেন, ঐ এলাকার অটোরিক্সা গ্যারেজ মালিক মোঃ শফিকুল ইসলাম।

সন্ধ্যায় তাদের গাঁয়ে হলুদের আয়োজন করা হয়। কালমা রেজিস্ট্রি করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা। বিয়েতে ৮০ (আশি) হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়। যার মধ্যে ০২ (দুই) হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন মোঃ আব্দুর রহমান।

মোসাঃ চামেলী খাতুন রাজশাহীর পবা থানাধীন মাধইপাড়া এলাকার মোঃ কমিম উদ্দিনের মেয়ে। মোঃ আব্দুর রহমান চট্টগ্রামের ছেলে। তিনি নিজেকে এতিম দাবি করেন। তবে তার পিতা-মাতার নাম বা বংশ পরিচয় এখনও জানানি তিনি।

জানা যায়, গত দুই বছর যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় চামেলী ও আব্দুর রহমানের। এরপর শুরু হয় প্রেম ভালোবাসা।

পরবর্তীতে গত ২ মাস পূর্বে মোঃ আব্দুর রহমান চট্টগ্রাম থেকে প্রেমিকার খোঁজে খালি হাতে চলে আসে রাজশাহীতে। তারপর নগরীর ছোটবনগ্রাম এলাকায় চামেলীর বাসার পাশে এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করতে থাকে মোঃ আব্দুর রহমান। সে সময় পরিচয় হয় ঐ এলাকার অটোরিক্স গ্যারেজ মালিক মোঃ শফিকুল ইসলামের সাথে।

তারপর মোঃ শফিকুল ইসলামের কাছে তার প্রেম ভালোবাসার কথা খুলে বলেন মোঃ আব্দুর রহমান। মোঃ আব্দুর রহমানের কথা শুনে অবশেষে নিজ গ্যারেজেই কাজ দেন মোঃ শফিকুল ইসলাম।

গ্যারেজে থাকা অবস্থায় মোসাঃ চামেলী খাতুন ও মোঃ আব্দুর রহমানের প্রেমের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। এক পর্যায়ে তাদের প্রেম ভালোবাসার কথা এলাকায় জানাজানি হলে আজ দুই জনকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করে দেন এলাকাবাসী।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ