শিরোনাম
কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলন’-২০২৬ ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হলো এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া।
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগঠক মামুনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর ।

রিপোটারের নাম / ৭৫১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৪

 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংগঠক মোহাম্মদ মামুন উর রশীদ মামুনের মোহরা কামাল বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে – অফিসে দফায় দফায় হামলা ও ভাংচুর করেছে চান্দগাও থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আজমের লোকজন।

ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে গত সোমবার ৫ আগষ্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পরই এসব হামলা করা হয়েছে।

ঘটনার শিকার মোহাম্মদ মামুন উর রশীদ মামুন জানান চান্দগাও থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আজম যুবদলের নেতা মোহাম্মদ আরাফাত – খোকন – জয়নাল – নুরুল হকের নেতৃত্বে লুটপাট ,ভাংচুর করেন , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ আড়াই লক্ষ টাকা সহ ৪০ লক্ষ টাকা মতন মার্কেট মালপত্র লুটপাট করেন ।

তিনি আরো বলেন আমার পিতার তিল তিল করে গড়ে উঠা খাজা আজমীর শপিং সেন্টার প্রতিটি দোকানে এ হামলা হয়।

মানুষের উপকার ছাড়া আমি কারো ক্ষতি করিনি প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণে মোহাম্মদ আজমের লোকজন অতর্কিত হামলা করে আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান তছনছ করেছেন এতে আমি অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এইচটি বাংলা কে বলেন বিএনপি ভাঙচুর ও লুটপাটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় কারও বসতবাড়ি কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো বড়ই অমানবিক। বিএনপির কোন নেতা এই হামলায় জড়িত থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে। নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কেউ যাতে কারো ক্ষতি করতে না পারে সবাইকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোন ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করছি।

সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে পরবর্তী সময়  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ