শিরোনাম
সাংবাদিক জয়নালকে সাইবার সুরাক্ষা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নের মুখে সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরাম বাংলাদেশের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সার্ক এডুকেশন কনক্লেভ অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ভারত যাচ্ছেন এসজেএফ সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ আবদুর রহমান।। দুর্গাপূজায় যানজট নিরসনে ঘাম ঝরাচ্ছেন টিআই-সার্জেন্টসহ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বিজিবি কর্তৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার।  তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।  কৃষকদের সাথে প্রতারণা: পাটগ্রামে ভেজাল ভুট্টা বীজের গোডাউনে সিল, নেপথ্যে আল-আমিন তালায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলার সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, নিন্দা পাটগ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি: চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম ট্রাফিক বিভাগ ম্যানুয়াল পদ্ধতির স্লিপে রেকার ভাড়া ৭৫০ টাকা ব্যতীত সরকারি রশিদে সমুদয় জরিমানার উল্লেখ থাকছে না ।

রিপোটারের নাম / ৪৯১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

 

বিশেষ প্রতিনিধি: ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থান হয়েছিল নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে। যেখানে থাকবে না কোন বৈষম্য দূর্নীতি ও দূর্নীতিবাজ লোক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে ছাত্রদের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল জুলাই গণ অভ্যুত্থানে।

এরই ধারাবাহিকতায় আইনের সেবা প্রদানের জন্য সাধারণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না পরিবহণ সেক্টর এর অনিয়ম আর দুর্নীতি রোধে। চট্টগ্রাম সদর দক্ষিণ ট্রাফিক বিভাগের অফিসিয়াল দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট ইফতেখার, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দাবি করা, এই কর্মকর্তার মৌখিক বুলি আইন সিদ্ধ হলেও বাস্তবে সরকারি রশিদের মাধ্যমে দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ মিলেছে একাধিক। সাধারণ মানুষের সাথে সেবা প্রদানের সময় তিনি অত্যন্ত দূর ব্যবহার করেন। আইনের সেবা গ্রহণকারী উপস্থিত বৈষম্য বিরোধী সম্পাদক সাংবাদিক ঐক্যজোট এর যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক সাইফুর রহমান সাইফুল ও বিভিন্ন পরিবহণ মালিকদের সামনেও ক্ষমতার দাম্ভিকতা প্রকাশে বিন্দু মাত্র দ্বিধাবোধ করেননি তিনি। সরকারি দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় টু স্লিপ এর জরিমানার অর্থ আদায়ের সময় তাকে বৃহৎ অংকের টাকার জরিমানার ক্ষেত্রে কিছুটা মওকুফের অনুরোধ করা হলেও তিনি আইনের দোহাই দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন। পক্ষান্তরে তার নিকটতম লোক হতে জরিমানার বিষয়ে উদারতা লক্ষ্যণীয় ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ঐ সিনিয়র সাংবাদিক পরিবারের ভাড়ায় চালিত গাড়ির জরিমানার অর্থ ৬০০০ টাকা দিতে চান এবং তার সাথে আর কোন টাকা নেই্ বলে জানায়। তিনি তৎখনাত ঐ সিনিয়র সাংবাদিক কে আইনের দোহাই দিয়ে ৬৭৫০ টাকার একটাকাও জরিমানা কম হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। তৎ পরবর্তীতে আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে ১০০০ টাকা বাসা হতে এনে টু স্লিপের জরিমানার পূর্ণাঙ্গ টাকা পরিশোধ করেন। এই সময় সার্জেন্ট ইফতেখার তার পাশের টেবিলে বসা সরকারি জরিমানার অর্থ গ্রহণকারী কে জরিমানার ফাইলটি প্রেরণ করেন। জরিমানার ৬৭৫০ টাকা গ্রহণ করলেও সরকারি জরিমানা আদায়ের রশিদের মধ্যে শুধুমাত্র রেকার ভাড়া ৭৫০ টাকা উল্লেখ করেন । বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হলে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি এর কোন সদুত্তর দেননি। ফলে পুরো বিষয়টি শুভঙ্করের ফাঁকি র মত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেলো। আইনের সর্বোচ্চ সেবা যদি সাধারণ নাগরিক সমাজ পেয়ে থাকেন তবে রেকার ভাড়া ব্যাতীত জরিমানা আদায়ের পূর্ণ অর্থ সরকারি জরিমানা আদায়ের রশিদে উল্লেখ হচ্ছে না কেন? একাধিক গাড়ীতে একই ভাবে অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করলেও রেকার ভাড়া ব্যাতীত তা উল্লেখ না করে সরকারি রশিদ কিভাবে প্রদান করছেন তারা। তাই সাধারণ সেবা গ্রহণকারীদের মতো বৈষম্য বিরোধী সম্পাদক সাংবাদিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারী সাংবাদিক এর হাত হতে জরিমানার রশিদে রেকার ভাড়ার রশিদ ব্যাতীত পূর্ণাঙ্গ জরিমানার অর্থ উল্লেখ করে আর কোন সরকারি রশিদ না দিয়েই অতিরিক্ত অর্থ নিতে যিনি দ্বিধা বোধ করছেন না, তার দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারে সাধারণ মানুষ কতটা বিড়ম্বনায় আছে তা সহজেই অনুমেয়। এসব বিষয়ে লোকমুখে প্রচলিত আছে মানথলি নামক শব্দের কথা। যাদের মানথলি থাকে তারাই কেবল সুবিধা ভোগ করতে পারেন। তাই সম্পূর্ণ সরকারি জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম লক্ষ্যণীয় হওয়ায় ভুক্তভোগী সাধারণ পরিবহণ মালিকেরা সম্পূর্ণ বিষয়টির উপর ট্রাফিক বিভাগ চট্টগ্রাম সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। সাধারন মানুষ মনে করেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপে ভুক্তভোগি পরিবহণ মালিকেরা পরিবহণ আইনে প্রাপ্ত সুবিধা গুলো হতে বঞ্চিত হবে না। সচেতন মহল আশা করেন নিশ্চয়ই এই বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;