শিরোনাম
বিজিবি কর্তৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার।  তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।  কৃষকদের সাথে প্রতারণা: পাটগ্রামে ভেজাল ভুট্টা বীজের গোডাউনে সিল, নেপথ্যে আল-আমিন তালায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলার সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, নিন্দা পাটগ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি: চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধারকারী থানা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে পোরশা থানা।  গিলানী চা বাগানে অশ্রুসিক্ত নয়নে সহকারী ব্যবস্থাপককে বিদায় সংবর্ধনা একজন রূপকার—প্রোফেসর যোগেশ সিং লায়ন্স ও লিও ক্লাব অনির্বাণের চার্টার প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন

চন্দনাইশ দোহাজারী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে ফাটল

রিপোটারের নাম / ৭৫৭ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ মে, ২০২৩

মুহাম্মদ আরফাত হোসেনঃ সরকারের তৃতীয় পর্যায়ে ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ঘর প্রদান তথা আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় পাওয়া দোহাজারী মাস্টারঘোনায় ২২ পরিবারের ঘরে ফাটল ধরেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২২ টি ঘরের মধ্যে ৪ নং ঘর মো. মনির, ৯ নং ঘর লাকি আকতার, ১১নং ঘর সাজু আকতার, ১২নং ঘর ফেরদৌস আলম, ১৬ নং ঘর জলিলুর রহমান, ১৮ নং ঘর মো. ইব্রাহিম, ১৯নং ঘর মিনু আকতারের ঘরে বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে। তাছাড়াও সবকয়টি ঘরে ছোট-খাটো ফাটল ধরার কারণে ঘরে বসবাস করতে ভয় পাচ্ছে বাসিন্দারা। এর মধ্যে মিনু আকতার ও সাজু আকতারের ঘরের ফাটল বড় হওয়ায় আতংকে রাত কাটে তাদের। গত ২০২১ সালের ২০ জুন সরকারীভাবে তৃতীয় পর্যায়ে দোহাজারী মাস্টারঘোনা এলাকায় ২২ পরিবার এবং বৈলতলী খোদারহাট সংলগ্ন শঙ্খ নদীর পাড়ে ২৯ পরিবারসহ ৫১ পরিবারকে ঘর বিতরণ করা হয়। ১ বছর ১০ মাসের মাথায় ঘরের ফাটল ধরায় বিপাকে পড়েছে ঘর পাওয়া মানুষগুলো। ঘরে ফাটল ধরার কারণে ঘর পেয়েও বসবাস করছেনা বেশ কয়েকটি পরিবার। আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২টি ডিব টিউবয়েল থাকলেও একটি বিকল হয়ে পড়ায় খাওয়া ও ব্যবহারের পানি পেতে বেগ পেতে হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের। প্রকল্পের উপকারভোগী মিনু আকতার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ঘর পেয়ে তিনি খুবই খুশি। কিন্তু নির্মাণগত ত্রুটির কারণে ঘরে ফাটল ধরায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে আতংকে রাত কাটে তার। সাজু আক্তার বলেছেন, ঘরের ফাটলের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছেন এবং তারা সংস্কার করে দিবেন বলেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও দোহাজারী পৌর প্রশাসক মাহমুদা বেগম বলেছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। পৌরসভা থেকে বরাদ্ধ দিয়ে দ্রুত ফাটল ধরা ঘরের মেরামতের ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;