শিরোনাম
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া। চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ ফয়সাল সিকদার সোহানকে চান তৃণমূল কর্মীরা চন্দনাইশের হাশিমপুরে গাউসিয়া কমিটি ১নং ওয়ার্ডের ইউনিট শাখার ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দ:) মাহফিল
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন

ভারতে আটক থাকা ৫ বাংলাদেশি নাগরিকের মুক্তির দাবি

রিপোটারের নাম / ৩৭৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে ভারতে আটক পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের মুক্তির দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ জানুয়ারি শনিবার সকাল ১১টায় আটক ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২৪ সালের ১২ই মে মধু সংগ্রহের জন্য স্থানীয় ফরেস্ট অফিস থেকে অনুমতি নিয়ে তারা নদীপথে সুন্দরবনে যান। ২৪শে মে ভারতের বনবিভাগ তাদের আটক করে। বর্তমানে তারা ভারতের বারাইপুর জেলখানায় আটক রয়েছেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার পূর্ব কৈখালী গ্রামের নুর আলী বরকন্দাজের পুত্র মো. হাফিজুল ইসলাম, আবু দাউদ গাজীর পুত্র হোসেন আলী, পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মৃত মেহেরউদ্দিন গাজীর পুত্র মো. দিদারুল ইসলাম, নুর ইসলামের পুত্র নজরুল ইসলাম এবং জয়াখালী গ্রামের রহমান মোড়লের পুত্র ইসমাইল হোসেন।

 

দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রিয়জনেরা বন্দি থাকায় পরিবারগুলো চরম দুশ্চিন্তা এবং আর্থিক সংকটে ভুগছে। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বজনদের মুক্তি দিয়ে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী দিদারুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ রেহানা বেগম। এ সময় অন্য পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, বাংলাদেশ সরকার এবং ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ