শিরোনাম
নেপালে নয় দিন পর টানেল থেকে জীবিত উদ্ধার হলেন দুই শ্রমিক। জুমার দিনের ফজিলত এবং দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। ৬৪টি উপজেলায় ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা করে অর্থায়ন দেয়া হবে অর্ধেক থাকবে ব্যাংক ঋণ, বাকি অর্ধেক অনুদান। ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছে সরকার। পোরশায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের আয়োজনে ৫৩ তম গ্রীস্মকালীন ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। লিও ক্লাব অব চিটাগং অনির্বাণ’র চার্টার বর্ষ(২০২৬-২৭) এর কমিটি ঘোষণা পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত । পোরশায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত।  চন্দনাইশে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ কেন্দ্রীয় ইসলাহী ইজতেমা সফল করতে ছাতকে মতবিনিময় সভা আগামী মঙ্গলবার
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন

ভারতে আটক থাকা ৫ বাংলাদেশি নাগরিকের মুক্তির দাবি

রিপোটারের নাম / ৪২৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে ভারতে আটক পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিকের মুক্তির দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ জানুয়ারি শনিবার সকাল ১১টায় আটক ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২৪ সালের ১২ই মে মধু সংগ্রহের জন্য স্থানীয় ফরেস্ট অফিস থেকে অনুমতি নিয়ে তারা নদীপথে সুন্দরবনে যান। ২৪শে মে ভারতের বনবিভাগ তাদের আটক করে। বর্তমানে তারা ভারতের বারাইপুর জেলখানায় আটক রয়েছেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার পূর্ব কৈখালী গ্রামের নুর আলী বরকন্দাজের পুত্র মো. হাফিজুল ইসলাম, আবু দাউদ গাজীর পুত্র হোসেন আলী, পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মৃত মেহেরউদ্দিন গাজীর পুত্র মো. দিদারুল ইসলাম, নুর ইসলামের পুত্র নজরুল ইসলাম এবং জয়াখালী গ্রামের রহমান মোড়লের পুত্র ইসমাইল হোসেন।

 

দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রিয়জনেরা বন্দি থাকায় পরিবারগুলো চরম দুশ্চিন্তা এবং আর্থিক সংকটে ভুগছে। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বজনদের মুক্তি দিয়ে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী দিদারুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ রেহানা বেগম। এ সময় অন্য পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, বাংলাদেশ সরকার এবং ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ