শিরোনাম
জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ। 
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন

দীর্ঘদিনের নীতিগত ব্যর্থতা ও দুর্নীতিকে  উত্তরণ ঘটিয়ে উৎপাদনমুখী ও জনবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব: সাঈদ আল নোমান

রিপোটারের নাম / ২১২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

এমদাদুল হক, স্টাফ রিপোর্টার : লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, শিল্পকারখানায় স্থবিরতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সংকট দেশের অর্থনীতিকে চাপে ফেলেছে। দীর্ঘদিনের নীতিগত ব্যর্থতা, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার ফলে দেশের অর্থনীতি আজ ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছেছে। এই সংকট থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে একটি স্থিতিশীল, উৎপাদনমুখী ও জনবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতেই ধারাবাহিক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান।

 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) নগরের ৪২ নম্বর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বেবীসুপার থেকে শুরু করে মাইজপাড়ায় সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা সামাজিক বৈষম্য আরও গভীর করছে। অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের প্রথম শর্ত হলো সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা না হলে কোনো পুনরুদ্ধার টেকসই হবে না। একই সঙ্গে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতকে সমান গুরুত্ব দিয়ে উৎপাদন বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠীই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে তরুণদের অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। পাশাপাশি প্রবাসী আয়কে নিরাপদ ও উৎপাদনমুখী বিনিয়োগে রূপান্তরের উদ্যোগ নিতে হবে।

 

ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উদ্যোক্তাবান্ধব নীতি, সহজ ঋণপ্রাপ্তি এবং কর ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতকে শক্তিশালী করা গেলে গ্রাম ও শহর—উভয় জায়গায় কর্মসংস্থান বাড়বে এবং অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে।

সাঈদ আল নোমান বলেন, একটি জনবান্ধব অর্থনীতি মানে শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, বরং ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা। শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের অগ্রাধিকার।

সবশেষে তিনি বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ