শিরোনাম
শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে এমআরটি ক্লাবের খেলনা সামগ্রী বিতরণ। পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ কর্তৃক কুরআন মাজিদ বিতরন আজ ঐতিহাসিক  মহান ‘মে দিবস’ চলতি বছরই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম’ শীর্ষ সম্মেলন জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরায় ছাত্র-জনতা হত্যায় জড়িত আ.লীগ নেতা কোপাত মোড়ল গ্রেফতার

রিপোটারের নাম / ৩১৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় ছাত্র-জনতা হত্যায় জড়িত আওয়ামী লীগ নেতা কোপাত মোড়ল গ্রেফতার হয়েছে। সোমবার (৭ এপ্রিল) রাতে তার নিজ গ্রাম আশাশুনির গোকুলনগরের রুলামিন নামে আ’লীগ কর্মীর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ নোমান হোসেন।

 

জানা গেছে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পালানোর দিন ছাত্র-জনতার মিছিলে প্রকাশে গুলি করে তিনজনকে হত্যা অভিযোগ রয়েছে কোপাত বাহিনীর ক্যাডারদের বিরুদ্ধে। ঘটনার দিনই পালিয়ে যায় কোপাত ও তার দলের সদস্যরা। কিন্তু সম্প্রতি এলাকায় ফিরে আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠে।

 

স্থানীয়রা জানায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু এলাই ডাকাতের মৃত্যুর পর সেই বাহিনীর হাল ধরে ছোট ভাই কোপাত ডাকাত। পরে আওয়ামী লীগ নেতাদের হয়ে ডাকাতি-লুটপাটের দায়িত্ব পালন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কোপাত বাহিনীকে সব ধরনের সহায়তা দিতেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। কোপাতকে আইনের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতিও বানান তিনি। জুলাই আন্দোলনের সময় জাকির হোসেনের নেতৃত্বে আন্দোলন মোকাবেলায় সব রকম তৎপরতায় জড়িত ছিল কোপাত বাহিনী।

 

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নাকনা গ্রামে মিছিল বের করেন ছাত্রজনতা। সেই মিছিলে জাকির হোসেনের নেতৃত্বে হামলা চালায় কোপাত বাহিনী। মিছিলে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে তিনজনকে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়। এতে আহত হন অন্তত ২০ জন। পরে উত্তেজিত জনতা জাকিরের বাড়িতে পাল্টা হামলা চালায়। এসময় জাকির নিহত হয়। তখন কোপাত বাহিনীর প্রধানসহ অন্যরা বাড়ি থেকে দেওয়াল টপকে পালিয়ে যায়।

 

এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার পর পালিয়ে গেলেও সম্প্রতি এলাকায় ফিরেছেন। এলাকায় ফিরে মধ্যম একসরা গ্রামের খোরশেদ শিকারী, নাংলা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম মন্টু, গোকুলনগর গ্রামের সেলিম রেজা, রেজাউল করিম সরদার ও আব্দুল্লাহ সরদারসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল গঠন করেছেন।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কোপাত বাহিনীর বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে আশাশুনি থানায় বহু মামলা রয়েছে। ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনায় তাদের নাম উল্লেখ করে হওয়া যেসব মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে তার মধ্যে আশাশুনি থানায় মামলা নং ১১/২৯৬, ৪৩/২৪, ৬৩/২৪, ১২৩/২৪ ও ১২৪/২৩ অন্যতম। এছাড়া নন-জিআর মামলায় পরোয়ানা রয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে কোপাত ডাকাতি মামলায় একাধিকবার কারাগারে গেলেও দলীয় প্রভাবে জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে।

 

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নোমান হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোপাত মোড়ল কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিশ্বাস জানানো হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ