শিরোনাম
সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে এসজেএফ নেতাদের বৈঠক। সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রহমান আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘উইনটার কার্নিভাল অ্যান্ড পৌষ পার্বণ’ । বাক প্রতিবন্ধী ও হিজড়া জনগোষ্ঠীসহ শীতার্তদের হাতে কম্বল তুলে দিলেন ইউএনও ডিপ্লোমেসি চাকমার মুসাব্বির কে হত্যা করায় জামালপুর জেলা সেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল  চন্দনাইশ কার-মাইক্রো ও হাইচ শ্রমিক সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন- সভাপতি মো. তৌহিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ রাজশাহীতে বিজিবি ১ এর শীত বস্ত্র বিতরণ ৫৪ তম জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপজেলা চ্যাম্পিয়ন ইসলামী আদর্শ বিদ্যানিকেতন এনএসডিএ নির্বাহী চেয়ারম্যানের সঙ্গে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সাতছড়ি চা বাগানে অসহায় চা শ্রমিকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন

মাদকের ভয়াল থাবায় গ্রাস তরুন প্রজন্ম, সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে পথশিশুরা-মোহাম্মদ আলী

রিপোটারের নাম / ৩৭২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪

 

দেশে প্রতিনিয়ত তরুণ প্রজন্মের মাঝে মাদক সেবনের প্রবণতা বেড়েই চলছে।
মাদকাসক্তি একটি ভয়াবহ মরণব্যাধি। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যে সকল সমস্যা বিদ্যমান তার মধ্যে একটি অন্যতম সমস্যা হচ্ছে মাদকের ভয়াল থাবা। প্রতিনিয়ত মাদকের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলছে। নিষিদ্ধ জগতে অস্ত্রের পর মাদকই সবচেয়ে বেশি লাভজনক ব্যবসা হয়ে উঠছে। বর্তমানে দেশের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মাদকের বেচাকেনা হয় না। শহর থেকে শুরু করে গ্রামেও এটি এখন সহজলভ্য হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে।

আমাদের দেশে প্রচলিত মাদকদ্রব্যের মধ্যে ইয়াবা, গাজা,প্যাথেডিন,কোকেন, ফেনসিডিল, মদ, আফিম, হেরোইন, বিভিন্ন ধরনের ঘুমের ওষুধ, এমনকি জুতার আঠাও রয়েছে। এসব ভয়ানক নেশা জাতীয় দ্রব্য সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে গেছে। এসব মাদকের বেশির ভাগই আসে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার হতে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে। মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হয়েও ভৌগোলিক কারণে আজ বাংলাদেশ মাদকের বড় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এশিয়ার গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট ও গোল্ডেন ওয়েজ নামে পরিচিত মাদক চোরাচালানের তিনটি প্রধান অঞ্চলের কেন্দ্রে বাংলাদেশের অবস্থান। তাই আন্তর্জাতিক মাদক কারবারিরাও বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে সহজে ব্যবহার করতে পারছেন। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে শত শত নদ-নদী  দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। মাদক চোরাকারবারিরা সমুদ্র উপকূল ও জলপথকে তাদের পণ্য পাচারের খুবই উপযুক্ত পথ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে মাদকের বড় বড় রুট।

মাদকের এই ভয়াল থাবায় জর্জরিত বর্তমান তরুণ প্রজন্ম। স্কুল থেকে শুরু করে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রতিটি স্তরে যুব সমাজ কে গ্রাস করছে এই মাদক। এভাবেই মাদকের নেশায় শেষ হয়ে যাচ্ছে লাখো মা বাবার স্বপ্ন। একটি সন্তান যখন মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে তখন তার সাথে সাথে তার পরিবারের উপর বেশি প্রভাব পড়ে। ফলে তার সাথে সাথে পরিবারেও নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়। এভাবেই দেশে হাজার পরিবার নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে মাদকের ভয়ানক থাবায়।

শুধু যে তরুণ বা বয়স্করাই এই মাদকের সাথে জড়িত তা কিন্তু নয়।
এর সাথে উল্লেখযোগ্য হারে পাল্লা দিয়ে আসক্ত হচ্ছে পথশিশুরাও।
দেশে লাখ লাখ পথশিশু মরণব্যাধি ভয়াল থাবায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। অকালেই তাদের ভবিষ্যৎ জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। পথে ঘাটে প্রায়ই দেখা যায় যে, পথশিশুরা বিভিন্ন মাদক সেবন করছে। গাম বা আঠা নামে নতুন এক মাদক সেবনে আসক্ত বেশি হচ্ছে এই পথশিশুরা।

এভাবে যদি পথশিশুরা মাদকের গ্রাসে আবদ্ধ হয়ে থাকে কিংবা এর থেকে পরিত্রানের ব‍্যবস্থা গ্রহন করা না হয় ; তাহলে আগামী বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ