শিরোনাম
যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ।  গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল সাংবাদিকতা পছন্দ করতেন প্রয়াত সাংবাদিক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী চন্দনাইশ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈকত দাশ দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

চন্দনাইশে মোস্তফা শহিদুল নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফায়দা নেয়ার অভিযোগ

রিপোটারের নাম / ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ফতেহ আলী সিকদার বাড়ির জনৈক মোস্তফা শহিদুল আলম নিজেকে রাঙ্গামাটি সরকরি কলেজের অধ্যাপক পরিচয় দিয়ে ফায়দা লুঠছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ সে কোন কলেজেই চাকরি করে না। উপজেলার উত্তর হাশিমপুর ফতেহ আলী সিকদার বাড়ির মৃত জামাল উদ্দীনের ছেলে মোস্তফা শহিদুল আলম বাদী হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর ১১৪/২০২৪ মামলায় নিজেকে কলেজ শিক্ষক পরিচয় দেয়। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদনে ডিবি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফ উদ্দীন মো. শাওন মোস্তফা শহিদুল আলমকে রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন বলে উল্লেখ করেন। এ ব্যাপারে রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বলেছেন, তিনি ৩ বছর ধরে কলেজে রয়েছেন। কিন্তু এ নামের কেউ কলেজের শিক্ষক নেই। মোস্তফা শহিদুল আলমেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ছাড়া চন্দনাইশ পৌরসভার গাছবাড়িয়া এলাকার জনৈক মো. জয়নাল আবেদীন মোস্তফা শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তার ভাই সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, তিনি নিজেকে কখনো ডিসি, কখনো ডিবি, কখনো সেনা কর্মকর্তা, কখনো সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন রকম অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগটি চেয়ারম্যান (দুদুক), জেলা প্রশাসক, পরিচালক (দুদুক), জেলা গোয়েন্দা শাখাসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ