শিরোনাম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে  বিষাক্ত গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায়  নয়জনের মৃত্যু আহত ৩০ শ্রমিক পোরশায় কারিতাসের জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব প্রতিরোধে স্থানীয় উদ্যেগ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।  জীবন্ত শিশুর মাথায় ছাদ নেই, অথচ রাষ্ট্রের কোটি টাকা ইট পাথরের স্থাপনায় — এ কেমন অগ্রাধিকার? হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে সংসদ সদস্যদের বৈঠক ডেকেছে ইসি। সচিব পদে রদবদল । পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, ২০০ পিস ট্যাপন্টোডল মাদক ট্যাবলেট জব্দ।  নওগাঁর পোরশায় ৭ মাসে ১৯ জনের অপমৃত্যু, বেশ কিছু আত্মহত্যা।  ডিএমপি পুলিশের সাত কর্মকর্তার রদবদল। শেখ হাসিনাকে ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের প্রতি অনুরোধ।
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

ঘন ঘন লোডশেডিং ও ভোল্টেজ ওঠানামায় চরম দুর্ভোগ, সমাধান চায় মনোহরদীবাসী।

রিপোটারের নাম / ৫৪২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

 

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ঘন ঘন লোডশেডিং বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে। দিনে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও গৃহবধূসহ সাধারণ মানুষ এতে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এক ভোক্তভোগী ইফতেখার ইসলাম জানান, “ভোগান্তি ১০০%। বিদ্যুতের ভোল্টেজ কম। যেখানে ২২০ ভোল্ট পাওয়ার কথা, সেখানে ১৭০-১৭৬ ভোল্টেই ঘুরছে। এতে ফ্যান ঘোরে না ঠিকমতো, ফ্রিজ ঠাণ্ডা হয় না। বহুবার অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।”

তিনি আরও বলেন,”মনোহরদীর প্রাণকেন্দ্র – মনোহরদী বাজার ও বাইপাস রোড এলাকায় ৫০টিরও বেশি পরিবারের ঘরে বছরজুড়েই ভোল্টেজ কম। এক বছর যাবৎ লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল হচ্ছে না। আদৌ হবে কিনা তাও জানি না।”

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “দিনে ৭-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। দোকানের ফ্রিজে রাখা আইসক্রিম-দুধ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কাস্টমারদের সামলানো মুশকিল।”

 

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন মনোহরদী সদরের একাধিক শিক্ষার্থীও। তাদের দাবি, অনলাইনে ক্লাস কিংবা পরীক্ষা চলাকালীন বিদ্যুৎ চলে গেলে তারা পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়ছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে অনেককেই।

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। অন্যথায় তারা বৃহত্তর কর্মসূচির পথে যেতে বাধ্য হবেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ