শিরোনাম
পাটগ্রাম সীমান্তে বিজিবি’র ধাওয়া খেয়ে পাট ও সাইকেল ফেলে পালালো চোরাকারবারিরা কালিহাতীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ সাপাহারে অ’বৈধ কারেন্ট ও রিং জাল পু’ড়িয়ে ধ্বং’স সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধানের মাতার ইন্তেকালে পাটগ্রাম প্রেসক্লাবের শোক বিহারে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক মিডিয়া সামিট-২০২৬ শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’-এর আঘাতে জাপানে বিপর্যয় দুজনের মৃত্যু। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময়সূচি প্রকাশ ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত। পোরশায় মাদক সেবনের দায়ে যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

যুদ্ধ বিরতি নিয়ে ট্রাম্পের দাবিকে নাকচ করে দেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

রিপোটারের নাম / ৯৬৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

 

এইচটি আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন তিনি ভারত শাসিত কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানকে ‘বাণিজ্য চাপের’ মাধ্যমে যুদ্ধ থেকে সরে আসতে রাজি করিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ২৬ জুন হেগ-এ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, আমি একাধিক ফোনকলের মাধ্যমে বিষয়টি শেষ করেছি। আমি বলেছিলাম, তোমরা যদি লড়াই করতেই চাও, তবে বাণিজ্য হবে না। তখন ওরা বলল, না, আমরা বাণিজ্য করতে চাই।

নিউ ইয়র্কে ‘নিউজউইক’-এর সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই দাবিকে নাকচ করে দেন।

এস জয়শঙ্কর বলেন, গত ৯ মে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ফোন করেন, সেসময় আসি ওই রুমেই, মোদীর পাশেই ছিলাম। কথোপকথনে যুদ্ধবিরতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কোনো কথা-ই ওঠেনি।

তিনি বলেন, জেডি ভ্যান্স জানান, পাকিস্তান বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদী ওই হুমকিতে টলেননি। বরং তিনি জানিয়ে দেন, ভারতের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া মিলবে।

জয়শঙ্কর দাবি করেন, ১০ মে তার সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও’র আলোচনা হয়। রুবিও জানান, পাকিস্তান আলোচনার জন্য প্রস্তুত। ওই দিন বিকেলেই পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের নির্দেশে ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ ভারতীয় ডিজিএমও লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘোষকে ফোন করে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানান।

 

এর প্রতিক্রিয়ায় জয়শঙ্কর বলেন, কূটনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই। দুই ক্ষেত্র স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। তার বক্তব্য, ব্যবসায়ীরা তাদের কাজ করে চলেছেন; সংখ্যা, পণ্য নিয়ে আলোচনা করছেন। আমি মনে করি, ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত পেশাদার, অবিচল।

 

তিনি বলেন, আমি যা বলছি, তা আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলছি। পহেলগামের হামলা কেবল একটি সন্ত্রাসী তৎপরতা ছিল না, বরং অর্থনৈতিক যুদ্ধ ছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল কাশ্মীরের পর্যটনশিল্প ধ্বংস করে দেওয়া, ধর্মীয় উসকানি দেওয়া ও সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো।

 

সূত্র: এনডিটিভি


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;