শিরোনাম
একজন রূপকার—প্রোফেসর যোগেশ সিং লায়ন্স ও লিও ক্লাব অনির্বাণের চার্টার প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত তালায় মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে পেটাল মাদক কারবারিরা, জিডি চন্দনাইশে খুনিয়া পাড়া ইয়াং সোসাইটির অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন  পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে ০১ জন পেশাদার খুচরা মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার-২৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ।  ইন্দোরে শুরু হলো ১৮তম ভারতীয় সাংবাদিকতা উৎসব ২০২৬: মূল ভাবনা ‘জেন-জি’, সম্মানিত সংবাদমাধ্যমের কিংবদন্তিরা। পোরশায় আদিবাসী সমাবেশ ও ত্রি-বার্ষিক সমাবেশ ২০২৬ অনুষ্ঠিত।     নীলফামারীতে বিজিবির অভিযানে ১৮ পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষে নিতপুর দারুস সুন্নাহ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় এক মা সমাবেশ ২০২৬ অনুষ্ঠিত।  হাজরাকাটি ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও আলোচনা সভা
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন

রাশিয়ার সমুদ্রপথে রফতানি করা রুশ  তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

রিপোটারের নাম / ৪৩৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

 

এইচটি বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার সমুদ্রপথে রফতানি করা অপরিশোধিত তেল কেনার ওপর দেওয়া অস্থায়ী ছাড়ের মেয়াদ আর নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে এতদিন যে সীমিত সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞার বাইরে থেকে রুশ তেল কেনার সুযোগ ছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, ওই অস্থায়ী ব্যতিক্রমী সুবিধার মেয়াদ শনিবার শেষ হয়েছে। এখন থেকে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত রুশ অপরিশোধিত তেল আর বৈশ্বিক ক্রেতারা কিনতে পারবে না। এতে সমুদ্রপথে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ তেলের বাণিজ্য প্রবাহে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থায় আকস্মিক সংকট এড়াতে আগে এই অস্থায়ী ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে সাময়িক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। সেই সময় বাজার স্থিতিশীল রাখতে সীমিত সময়ের জন্য রুশ তেল কেনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারতসহ বড় আমদানিকারক দেশগুলো রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়। এক পর্যায়ে ভারতের দৈনিক আমদানি প্রায় ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছায়, যা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি। এখন এই ছাড় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব দেশকে আবার বিকল্প সরবরাহ উৎসের দিকে যেতে হবে, ফলে বাজারে প্রতিযোগিতা আরও বেড়ে যেতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, রুশ তেলের ওপর নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরাসরি চাপ তৈরি করবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে যুদ্ধ-পরবর্তী অস্থিরতার কারণে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি বা তার ওপরে ওঠানামা করছে।

এই পরিস্থিতির প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানে জ্বালানি তেলের দাম গড়ে প্রতি গ্যালন প্রায় সাড়ে চার ডলারের কাছাকাছি রয়েছে। সরবরাহ কমে গেলে এই দাম আরও বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ বাড়লে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোতেও জ্বালানি সংকট তীব্র হতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ আমদানিনির্ভর, তারা বেশি ঝুঁকিতে পড়বে।

ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুশ তেলের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথে অনিশ্চয়তা-সব মিলিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার দীর্ঘমেয়াদে আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি বাড়াতে পারে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

এম জি


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;