শিরোনাম
নওগাঁর পোরশায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সমাজকল্যাণ পরিষদ কর্তৃক চেক বিতরণ।  এনসিপি গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় আসামিদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর। দুবাইয়ের কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বেনজীর আহমেদ , ইউরোপের যাওয়ার চেষ্টা। দহগ্রামে শিক্ষকের দাবীতে রাস্তা অবরোধ করে তৃতীয় দিনের মত ক্লাস বর্জন শিক্ষার্থীদের  পাটগ্রামে ধরলা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি হাসান রাজিব প্রধান হৃদয়ের ডাকের উদ্যোগে কর্ণফুলীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহবান করার দাবীতে জামায়াতের গণ মিছিল পোরশায় সাপের কামড়ে গৃহিণীর মৃত্যু: ওঝার কাছে গিয়ে সময় অপচয়ের পর হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালে শেষ রক্ষা হলো না।  পোরশায় জমি সংক্রান্ত সালিশে মারামারি, ইউপি সদস্যসহ প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৫ পাটগ্রামে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে, কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ

রিপোটারের নাম / ৪১০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার। পরে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গণহত্যার দায়ে হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানা ও আদালতে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলার এজাহারে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলাগুলোর মধ্যে ঢাকার ৫০টি থানায় মোট ৩৮৮টি মামলা দায়ের হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয় যাত্রাবাড়ি থানায় ১১২টি। মোহাম্মদপুর থানায় ১৩টি, মিরপুর থানায় ১৬টি, ধানমন্ডি থানায় ৯টি, শাহবাগ থানায় ৮টি, ওয়ারি থানায় পাঁচটি, চকবাজার থানায় ৬টি, উত্তরা পশ্চিম থানায় ১২টি ও উত্তরা পূর্ব থানায় ৮টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪টি, রাজশাহী বিভাগে ১২টি, খুলনা বিভাগে ৯টি, ময়মনসিংহে ৮টি, রংপুরে ৭টি, সিলেটে পাঁচটি ও বরিশালে ৬টি মামলা দায়ের হয়।

‘হাইকোর্টের রায়ে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল ইতিহাসে এটাই প্রথম’

তথ্যমতে, ইউনূস সরকারের আট মাস পেরিয়ে গেলেও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব হত্যা মামলার কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ। যদিও এটিকে তদন্তের ধীরগতি বলতে নারাজ পুলিশ।

ডিএমপির মুখপাত্র তালেবুর রহমান জানান, কয়েকটি মামলার কাজ অনেকটা এগিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

 

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী সারা হোসেন মনে করেন, মামলাগুলো দেখভালের জন্য নির্দিষ্ট কাউকে দায়িত্ব দেওয়া উচিৎ। এর যৌক্তিক সুরাহা হওয়া দরকার।

 

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কতদূর এবং মামলাগুলোর শেষ পরিণতি কী হবে- এটা নিয়ে ধারণা পওয়া গেলে মানুষ তদন্তের বিষয়ে বুঝতে পারত। সার্বিকভাবে মামলাগুলোর বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা উচিৎ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ