শিরোনাম
দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া আয়রার জন্য নিজ গ্রামে দোয়া মাহফিল উন্নয়ন ও বাণিজ্য প্রসারে এমপি মিলনের সাথে লাইমস্টোন ব্যবসায়ীদের সাক্ষাৎ সিএসসিআর এর উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাষা শহীদের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী।
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে, কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ

রিপোটারের নাম / ৩২৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার। পরে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গণহত্যার দায়ে হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানা ও আদালতে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলার এজাহারে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলাগুলোর মধ্যে ঢাকার ৫০টি থানায় মোট ৩৮৮টি মামলা দায়ের হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয় যাত্রাবাড়ি থানায় ১১২টি। মোহাম্মদপুর থানায় ১৩টি, মিরপুর থানায় ১৬টি, ধানমন্ডি থানায় ৯টি, শাহবাগ থানায় ৮টি, ওয়ারি থানায় পাঁচটি, চকবাজার থানায় ৬টি, উত্তরা পশ্চিম থানায় ১২টি ও উত্তরা পূর্ব থানায় ৮টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪টি, রাজশাহী বিভাগে ১২টি, খুলনা বিভাগে ৯টি, ময়মনসিংহে ৮টি, রংপুরে ৭টি, সিলেটে পাঁচটি ও বরিশালে ৬টি মামলা দায়ের হয়।

‘হাইকোর্টের রায়ে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল ইতিহাসে এটাই প্রথম’

তথ্যমতে, ইউনূস সরকারের আট মাস পেরিয়ে গেলেও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব হত্যা মামলার কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ। যদিও এটিকে তদন্তের ধীরগতি বলতে নারাজ পুলিশ।

ডিএমপির মুখপাত্র তালেবুর রহমান জানান, কয়েকটি মামলার কাজ অনেকটা এগিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

 

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী সারা হোসেন মনে করেন, মামলাগুলো দেখভালের জন্য নির্দিষ্ট কাউকে দায়িত্ব দেওয়া উচিৎ। এর যৌক্তিক সুরাহা হওয়া দরকার।

 

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কতদূর এবং মামলাগুলোর শেষ পরিণতি কী হবে- এটা নিয়ে ধারণা পওয়া গেলে মানুষ তদন্তের বিষয়ে বুঝতে পারত। সার্বিকভাবে মামলাগুলোর বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা উচিৎ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ