শিরোনাম
পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয় জনগনের সহায়তায় ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও ৩২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের নতুন সেচ্ছাসেবী সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ও মোটিভেশনাল সেমিনার অনুষ্ঠিত সিলেটে সুজন মিয়া গ্রেপ্তার, বালুমহাল নিয়ে আগেও সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিক জয়নালকে সাইবার সুরাক্ষা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নের মুখে সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরাম বাংলাদেশের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সার্ক এডুকেশন কনক্লেভ অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ভারত যাচ্ছেন এসজেএফ সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ আবদুর রহমান।। দুর্গাপূজায় যানজট নিরসনে ঘাম ঝরাচ্ছেন টিআই-সার্জেন্টসহ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বিজিবি কর্তৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার।  তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ  দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি

রিপোটারের নাম / ৫৮৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা  ডেস্ক:  প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে অনুসন্ধান কমিটিকে দেওয়া দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, ২০২২ সালের আইনে দায়মুক্তি দেওয়ার এমন বিধান অসাংবিধানিক। তারা মনে করেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ ছিল অবৈধ। সে কারণে তাদের অধীন হওয়া নির্বাচনও অবৈধ।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ‘আইন করে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সেই দায়মুক্তির আইনে বলা হয়েছে, এটা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। আমরা মনে করি, এটা আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে যদি এই দায়মুক্তির আইন অসাংবিধানিক ঘোষিত হয় তাহলে দুটি নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।’

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পেশ করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী। একইসঙ্গে রিটে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, এমন বিধান বাতিল চাওয়া হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;