শিরোনাম
সব শপিং মল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। পাটগ্রামে ইসলামী আদর্শ বিদ্যানিকেতন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হেলিকপ্টার -২০২৬ শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে মুখর বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত পোরশায় বীরউত্তম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। পোরশায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মর্মান্তিক মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিন বাড়বে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বিএনপির  প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ। আজ রাত ১টার মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরাবাসীর জন্য ভালোবাসা মঞ্চের কুরবানী, অসহায় মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ  দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি

রিপোটারের নাম / ৪৪১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা  ডেস্ক:  প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে অনুসন্ধান কমিটিকে দেওয়া দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, ২০২২ সালের আইনে দায়মুক্তি দেওয়ার এমন বিধান অসাংবিধানিক। তারা মনে করেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ ছিল অবৈধ। সে কারণে তাদের অধীন হওয়া নির্বাচনও অবৈধ।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ‘আইন করে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সেই দায়মুক্তির আইনে বলা হয়েছে, এটা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। আমরা মনে করি, এটা আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে যদি এই দায়মুক্তির আইন অসাংবিধানিক ঘোষিত হয় তাহলে দুটি নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।’

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পেশ করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী। একইসঙ্গে রিটে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, এমন বিধান বাতিল চাওয়া হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ