শিরোনাম
ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত। পোরশায় মাদক সেবনের দায়ে যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত পূর্ণভবা নদীতে নৌকাডুবি: শিশুসহ ১০৯ যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা, সুতি জালের উপকরণের সঙ্গে ধাক্কা।  তালায় মানবতা ফাউন্ডেশনের ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি গঠন রংপুর ব্যাটালিয়ন- ৫১ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ষাঁড় ও ডিমলায় মাদকসহ আটক ১ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর-শ্বাসরোধের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার দক্ষিণ কোরিয়া খাদ্যবর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু। নওগাঁর পোরশায় ১০ কেজি গাজা সহ তিন জন বড় মাদক কারবারী গ্রেফতার।  পোরশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের উদ্যোগে ডেঙ্গু কিট হস্তান্তর।
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ  দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি

রিপোটারের নাম / ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা  ডেস্ক:  প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে অনুসন্ধান কমিটিকে দেওয়া দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, ২০২২ সালের আইনে দায়মুক্তি দেওয়ার এমন বিধান অসাংবিধানিক। তারা মনে করেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ ছিল অবৈধ। সে কারণে তাদের অধীন হওয়া নির্বাচনও অবৈধ।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ‘আইন করে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সেই দায়মুক্তির আইনে বলা হয়েছে, এটা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। আমরা মনে করি, এটা আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে যদি এই দায়মুক্তির আইন অসাংবিধানিক ঘোষিত হয় তাহলে দুটি নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।’

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পেশ করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী। একইসঙ্গে রিটে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না, এমন বিধান বাতিল চাওয়া হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;