শিরোনাম
স্থায়ী সচিব ছাড়াই দুই বছর, ছাতক পৌরসভার সেবা কতটা স্বাভাবিক? নেপালে নয় দিন পর টানেল থেকে জীবিত উদ্ধার হলেন দুই শ্রমিক। জুমার দিনের ফজিলত এবং দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। ৬৪টি উপজেলায় ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা করে অর্থায়ন দেয়া হবে অর্ধেক থাকবে ব্যাংক ঋণ, বাকি অর্ধেক অনুদান। ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছে সরকার। পোরশায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের আয়োজনে ৫৩ তম গ্রীস্মকালীন ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। লিও ক্লাব অব চিটাগং অনির্বাণ’র চার্টার বর্ষ(২০২৬-২৭) এর কমিটি ঘোষণা পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত । পোরশায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত।  চন্দনাইশে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন

ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারলে মধ্যপ্রাচ্য তেল রপ্তানি করতে পারবে না

রিপোটারের নাম / ৩৫১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

 

এইচটি  বাংলা আন্তর্জাতিক  ডেস্ক  : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য একটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তেহরানভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক ও লেখক আলি আকবর দারেইনি। তিনি বলেছেন, ইরান যদি তেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে এ অঞ্চলের অন্য কোনো দেশও নির্বিঘ্নে তেল রপ্তানি করতে পারবে না।

 

শনিবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। দারেইনির মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি এক ধরনের নিম্নমাত্রার সংঘাতের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

 

তার ভাষায়, “যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপ আমাদের একটি বৃহত্তর যুদ্ধের আরও কাছে নিয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তেও আমরা একটি স্বল্পমাত্রার যুদ্ধের মধ্যে আছি। ফলে কার্যত এখন আর কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।”

 

সাক্ষাৎকারে দারেইনি জানান, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে ইরান তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রথমত, জাহাজগুলোকে ইরানের নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া বিভিন্ন নৌ-সেবা ও নিরাপত্তা সুবিধার জন্য নির্ধারিত কর দিতে হবে। তৃতীয়ত, এমন কোনো পণ্য বহন করা যাবে না, যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে বা দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হতে পারে।

 

তিনি দাবি করেন, এসব শর্ত মেনে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে অনাগ্রহী হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তার অভিযোগ।

 

ইরানের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে দারেইনি বলেন, ওয়াশিংটনের পদক্ষেপকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার পরিবর্তে তেহরান নিজেদের প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পথ বেছে নিচ্ছে। প্রয়োজনে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি নিয়েও ইরান তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

তার ভাষায়, “ইরানের রেড লাইন খুবই স্পষ্ট। যদি ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে এই অঞ্চলের অন্য কেউও তা করতে পারবে না।”

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে আলি আকবর দারেইনির মন্তব্য তার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণ। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া তার উত্থাপিত কয়েকটি দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তথ্যসূত্র : আল জাজিরা

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ