শিরোনাম
সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরাম বাংলাদেশের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সার্ক এডুকেশন কনক্লেভ অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ভারত যাচ্ছেন এসজেএফ সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ আবদুর রহমান।। দুর্গাপূজায় যানজট নিরসনে ঘাম ঝরাচ্ছেন টিআই-সার্জেন্টসহ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বিজিবি কর্তৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার।  তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দলের ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।  কৃষকদের সাথে প্রতারণা: পাটগ্রামে ভেজাল ভুট্টা বীজের গোডাউনে সিল, নেপথ্যে আল-আমিন তালায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলার সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, নিন্দা পাটগ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি: চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধারকারী থানা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে পোরশা থানা। 
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারলে মধ্যপ্রাচ্য তেল রপ্তানি করতে পারবে না

রিপোটারের নাম / ৪৫৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

 

এইচটি  বাংলা আন্তর্জাতিক  ডেস্ক  : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য একটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তেহরানভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক ও লেখক আলি আকবর দারেইনি। তিনি বলেছেন, ইরান যদি তেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে এ অঞ্চলের অন্য কোনো দেশও নির্বিঘ্নে তেল রপ্তানি করতে পারবে না।

 

শনিবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। দারেইনির মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি এক ধরনের নিম্নমাত্রার সংঘাতের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

 

তার ভাষায়, “যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপ আমাদের একটি বৃহত্তর যুদ্ধের আরও কাছে নিয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তেও আমরা একটি স্বল্পমাত্রার যুদ্ধের মধ্যে আছি। ফলে কার্যত এখন আর কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।”

 

সাক্ষাৎকারে দারেইনি জানান, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে ইরান তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রথমত, জাহাজগুলোকে ইরানের নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া বিভিন্ন নৌ-সেবা ও নিরাপত্তা সুবিধার জন্য নির্ধারিত কর দিতে হবে। তৃতীয়ত, এমন কোনো পণ্য বহন করা যাবে না, যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে বা দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হতে পারে।

 

তিনি দাবি করেন, এসব শর্ত মেনে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে অনাগ্রহী হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তার অভিযোগ।

 

ইরানের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে দারেইনি বলেন, ওয়াশিংটনের পদক্ষেপকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার পরিবর্তে তেহরান নিজেদের প্রতিরোধ সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পথ বেছে নিচ্ছে। প্রয়োজনে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি নিয়েও ইরান তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

তার ভাষায়, “ইরানের রেড লাইন খুবই স্পষ্ট। যদি ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে এই অঞ্চলের অন্য কেউও তা করতে পারবে না।”

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে আলি আকবর দারেইনির মন্তব্য তার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণ। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া তার উত্থাপিত কয়েকটি দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তথ্যসূত্র : আল জাজিরা

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;