শিরোনাম
পাটগ্রামে ধরলা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি হাসান রাজিব প্রধান হৃদয়ের ডাকের উদ্যোগে কর্ণফুলীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহবান করার দাবীতে জামায়াতের গণ মিছিল পোরশায় সাপের কামড়ে গৃহিণীর মৃত্যু: ওঝার কাছে গিয়ে সময় অপচয়ের পর হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালে শেষ রক্ষা হলো না।  পোরশায় জমি সংক্রান্ত সালিশে মারামারি, ইউপি সদস্যসহ প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৫ পাটগ্রামে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ পোরশায় ৩২ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার পেল কোয়ারেন্টানে মারা যাওয়া ছাগল।  পাটগ্রামে শিক্ষকের দাবীতে দ্বিতীয় দিনের মত চলছে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র -ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন আন্দোলন। পোরশায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষা পরিদর্শনে ইউএনও রাকিবুল ইসলাম।  শিক্ষক সংকটের কারণে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র -ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিকদের আবাসনের উদ্যোগ নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী 

রিপোটারের নাম / ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যে অনেকেই প্লট পেয়েছেন, কেউ কেউ তা বিক্রিও করেছেন। সরকারিভাবে অনেক ফ্ল্যাট তৈরি করা হয়েছে। সামান্য কিছু টাকা জমা দিয়ে সাংবাদিকরা চাইলে কিস্তিতে পরিশোধ করে এসব ফ্ল্যাট নিতে পারবেন।’

আজ সোমবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা ভাতা বা অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এদেশে কোনো মানুষ ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। তাদেরকে আমরা ঘর করে দিচ্ছি। আমরা চাই প্রত্যেকের একটা ঠিকানা হবে। সেই সাথে তাদের আমরা বিনা সুদে ঋণ দিচ্ছি, কাজের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ন্যাম সম্মেলনের জন্য আমরা যখন ফ্ল্যাট তৈরি করি তখনই আমার একটা লক্ষ্য ছিল সম্মেলন শেষে এই ফ্ল্যাটগুলো কবি, শিল্প, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের দেব। কারণ, তাদের চাকরির কোনো স্থায়িত্ব থাকে না। যখন তারা বৃদ্ধ বা অসুস্থ হয়ে যায় কি করেএ চলবে? সরকারি চাকরি যারা করেন তারা তো অবসর ভাতা পান, আমাদের রাজনীতিবিদদের জন্যও কিছু থাকে না, আবার সাংবাদিকদেরও কিছু থাকে না। এটাই বাস্তবতা। তাই সরকারি ফ্ল্যাটগুলো চাইলে আপনারা সাংবাদিকরা নিতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রকে বলে সমাজের দর্পণ। বাস্তবে তাই। এই সংবাদপত্র দেখলেই অনেক তথ্য পাওয়া যায়। আমি নিয়মিত শুধু পড়িই না, কোন সমস্যা দেখলে তার ছবি তুলে আমার অফিসের কার কাছে পাঠালে কাজ হবে তার কাছে পাঠিয়ে দি। সংবাদপত্র থেকে এই সংবাদগুলো পাওয়া যায়। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সহজ হয়।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কারো মুখাপেক্ষী না, কারো অধীনস্থ না। অন্যের কাছে নালিশ করে নিজের দেশের বদনাম করা, সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও আপনারা এমন কিছু লিখবেন না যা নিজের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। কোথাও খারাপ কিছু দেখলে অবশ্যই আপনারা বলবেন, কিন্তু এমন কিছু না বলা যাতে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ