শিরোনাম
জুমার দিনের ফজিলত এবং দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। ৬৪টি উপজেলায় ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা করে অর্থায়ন দেয়া হবে অর্ধেক থাকবে ব্যাংক ঋণ, বাকি অর্ধেক অনুদান। ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি সই করেছে সরকার। পোরশায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের আয়োজনে ৫৩ তম গ্রীস্মকালীন ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। লিও ক্লাব অব চিটাগং অনির্বাণ’র চার্টার বর্ষ(২০২৬-২৭) এর কমিটি ঘোষণা পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত । পোরশায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত।  চন্দনাইশে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ কেন্দ্রীয় ইসলাহী ইজতেমা সফল করতে ছাতকে মতবিনিময় সভা আগামী মঙ্গলবার গোবিন্দপুর যুব সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো আজিমুশ্শান সুন্নি সম্মেলন
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিকদের আবাসনের উদ্যোগ নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী 

রিপোটারের নাম / ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যে অনেকেই প্লট পেয়েছেন, কেউ কেউ তা বিক্রিও করেছেন। সরকারিভাবে অনেক ফ্ল্যাট তৈরি করা হয়েছে। সামান্য কিছু টাকা জমা দিয়ে সাংবাদিকরা চাইলে কিস্তিতে পরিশোধ করে এসব ফ্ল্যাট নিতে পারবেন।’

আজ সোমবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা ভাতা বা অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এদেশে কোনো মানুষ ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। তাদেরকে আমরা ঘর করে দিচ্ছি। আমরা চাই প্রত্যেকের একটা ঠিকানা হবে। সেই সাথে তাদের আমরা বিনা সুদে ঋণ দিচ্ছি, কাজের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ন্যাম সম্মেলনের জন্য আমরা যখন ফ্ল্যাট তৈরি করি তখনই আমার একটা লক্ষ্য ছিল সম্মেলন শেষে এই ফ্ল্যাটগুলো কবি, শিল্প, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের দেব। কারণ, তাদের চাকরির কোনো স্থায়িত্ব থাকে না। যখন তারা বৃদ্ধ বা অসুস্থ হয়ে যায় কি করেএ চলবে? সরকারি চাকরি যারা করেন তারা তো অবসর ভাতা পান, আমাদের রাজনীতিবিদদের জন্যও কিছু থাকে না, আবার সাংবাদিকদেরও কিছু থাকে না। এটাই বাস্তবতা। তাই সরকারি ফ্ল্যাটগুলো চাইলে আপনারা সাংবাদিকরা নিতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রকে বলে সমাজের দর্পণ। বাস্তবে তাই। এই সংবাদপত্র দেখলেই অনেক তথ্য পাওয়া যায়। আমি নিয়মিত শুধু পড়িই না, কোন সমস্যা দেখলে তার ছবি তুলে আমার অফিসের কার কাছে পাঠালে কাজ হবে তার কাছে পাঠিয়ে দি। সংবাদপত্র থেকে এই সংবাদগুলো পাওয়া যায়। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সহজ হয়।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কারো মুখাপেক্ষী না, কারো অধীনস্থ না। অন্যের কাছে নালিশ করে নিজের দেশের বদনাম করা, সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও আপনারা এমন কিছু লিখবেন না যা নিজের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। কোথাও খারাপ কিছু দেখলে অবশ্যই আপনারা বলবেন, কিন্তু এমন কিছু না বলা যাতে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ